সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অফিসের সময় নিয়ে সরকারের কঠোর নির্দেশনা সংকটের কঠিন মুহূর্তে আমাকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি ও সশস্ত্র বাহিনী: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার! অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কেন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষায় অনড় ছিল বিএনপি-বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪.৮৬ বিলিয়ন ডলার সারাদেশে একযোগে ইসির ১১২ কর্মকর্তা বদলি ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে চায়, তাদের কোথাও স্থান দেওয়া হবে না: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা পূর্ণাঙ্গ সিরিজের সূচি প্রকাশ

রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার!

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে না জানিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার—এমন অভিযোগ তুলেছেন তিনি নিজেই। দৈনিক কালের কণ্ঠ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির বিষয়ে তাকে অবহিত করা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সর্বশেষ চুক্তি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘না, কোনো কিছুই আমি জানি না। এ রকম রাষ্ট্রীয় একটা চুক্তি অবশ্যই আমাকে জানানো দরকার ছিল। এটা ছোটখাটো হোক আর বড় কিছু হোক, পূর্ববর্তী সরকার প্রধানরা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছেন। এটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি।’

তার এই বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত থেকে আড়ালে রাখা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সমন্বয় হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

‘উনি যে প্রধান উপদেষ্টা হলেন, সেই প্রক্রিয়ার উৎসই ছিলাম আমি। কিন্তু পরে তিনি আমার সঙ্গে সেভাবে সমন্বয় করেননি। একবারের জন্যও আমার কাছে আসেননি,’ বলেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতির ভাষ্য, তার দুইবারের বিদেশ সফর আটকে দেওয়া হয়। শুধু বিদেশ সফর নয়, দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তাকে যেতে দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির রেওয়াজ থাকলেও সেটিও বন্ধ রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, এক রাতের মধ্যে দেশের সব হাইকমিশন থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তিনি জানতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং প্রত্যাহার এবং জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে রাষ্ট্রপতির ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর