সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
দ্রুতই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হবে: মুখপাত্র মাহদী আমিন ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাবনা বৈঠক শেষে পাকিস্তান ছেড়েছে ইরানের প্রতিনিধিদল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হবেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি : শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল ইসরায়েল রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মারা গেছেন তথ্য অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী স্বপন জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: ডা. শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রপতিকে ঈদের নামাজ পড়তে জাতীয় ঈদগাহে যেতে দেয়নি ইউনূস

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ন

গত বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকার তাকে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যেতে বাধা দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশিত হয় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি)। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এর দ্বিতীয় ও শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমাকে যেন এই প্রাসাদে (বঙ্গভবন) গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজে রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অংশগ্রহণ করেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই রেওয়াজ চলে আসছে। কিন্তু ড. ইউনূসের সরকার সেই রেওয়াজে প্রতিবন্ধকতা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাকে দুইটা ঈদের নামাজে অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যেতে দেয়নি। নিরাপত্তা বিভাগের মাধ্যমে আমাকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, আপনি ঈদের নামাজে অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহে যাবেন না।’
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে মূল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বঙ্গভবনেই হয়ে থাকে। দীর্ঘদিনের রেওয়াজ অনুযায়ী আমরা এই দিবসগুলো বঙ্গভবনে আয়োজন করি; জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান হয়। আমরা ওই দিবসগুলোতে প্রধান উপদেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াত দিয়েছি; কিন্তু তিনি আসেননি। এর আগে সরকারপ্রধানরা প্রায় প্রতিটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। যদিও সাংবিধানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, তবে এটি সৌজন্যবোধের বিষয়।’


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর