বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সম্মত: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫, ৫:০১ অপরাহ্ন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শনিবার স্থানীয় সময়ে জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের নেতারা তাৎক্ষণিকভাবে সাক্ষাৎ করে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছেন।

টানা তিন দিনের সীমান্ত সংঘর্ষের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন।

রয়টার্সের খবরে জানানো হয়েছে, থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ভূমিথাম ভেচাইয়াচাই ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন যে, থাইল্যান্ড ‘নীতিগতভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত’ হয়েছে, তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তার দেশ ‘কম্বোডিয়ার পক্ষ থেকে আন্তরিক উদ্দেশ্য’ দেখতে চায়।

ভূমিথাম ট্রাম্পের স্কটল্যান্ড সফরকালে তার একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় ফেসবুকে শেয়ার করা একটি পোস্টে এসব কথা উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, তিনি কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত এবং ভূমিথামের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং তাদের সতর্ক করে বলেছেন যে, সীমান্ত সংঘাত অব্যাহত থাকলে তিনি কারও সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করবেন না।

ট্রাম্প তার কূটনৈতিক উদ্যোগের বিস্তারিত বর্ণনা করে লিখেছেন, ‘দুই পক্ষই তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি কামনা করছে।’

এ প্রসঙ্গে ভূমিথাম তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন কম্বোডিয়াকে জানাতে যে, থাইল্যান্ড যত দ্রুত সম্ভব দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করতে ইচ্ছুক—যাতে যুদ্ধবিরতি এবং সংঘাতের চূড়ান্ত শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও পদ্ধতি গ্রহণ করা যায়।

গত মে মাসের শেষ দিকে এক কম্বোডিয়ার সেনার মৃত্যুর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। সীমান্তে দুই দেশের সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয় এবং এই সংঘাত থাইল্যান্ডের নাজুক জোট সরকারকে পতনের মুখে ঠেলে দেয়।-একাত্তর


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর