ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন সামরিক বাহিনী ২০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে। তবে অতীতে মার্কিন সামরিক বাহিনী এমন অভিযানের খবর অস্বীকার করেছিল।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ, পারস্য উপসাগরকে আরব উপদ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করা সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, গত মাসে আমি আমাদের মহান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজকে সহায়তা করার জন্য একটি গোপন অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলাম।
ট্রাম্প দাবি করেন, পুরো অভিযানটি এমনভাবে পরিচালিত হয়েছে যে, ইরান তা বুঝতেই পারেনি। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “এখন আমি এমন একটি কথা বলতে পারি, যা আপনারা আগে জানতেন না। আমরা লাখ লাখ ব্যারেল তেল বের করে এনেছি। কেউই এটা জানত না।”
তিনি আরও বলেন, জানেন কে এটা জানতো না? ইরান। অন্তত এখন পর্যন্ত জানত না। অন্য রাতে আমরা ২২টি জাহাজ বের করে এনেছি, গভীর রাতে, কোনও আলো ছাড়াই। কারণ তাদের কোনও রাডার ছিল না। আমরা তাদের রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছি।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র মে মাসের শুরুতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। তবে মিত্র দেশগুলোর সমর্থন না পাওয়ায় ট্রাম্প একদিন পরই সেই পরিকল্পনা বাতিল করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যম পরে জানায়, মে মাসের শেষ দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করে। তবে সে সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছিল, মার্কিন নৌবাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ পার হতে সহায়তা করছে বলে যে খবর বের হয়েছে তা সঠিক নয়। সূত্র: এনডিটিভি