মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন (আইসিই বা আইস নামে পরিচিত) সদস্যদের গুলিতে অ্যালেক্স প্রেটি (৩৭) নামে আরও এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মিনিয়াপোলিস পুলিশপ্রধান ব্রায়ান ও’হারা জানান, অ্যালেক্সের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন ছিল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও মিনিয়াপোলিসেরই বাসিন্দা। নিহত প্রেটিকে শনাক্ত করেছেন তার মা ও বাবা।
ঘটনার ভিডিওতে দেখা গেছে, আইসিইর সদস্যরা প্রেটি ও অন্য বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচের গুঁড়া ছুড়ছেন। প্রেটিকে তা প্রতিহত করতে ও অন্য বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে দেখা যায় ওই ভিডিওতে। এ সময় বেশ কয়েকজন আইসিই সদস্য প্রেটিকে মাটিতে ফেলে পেটাতে থাকেন তখন প্রেটিকে বেশ কয়েকটি গুলি করতে দেখা যায়। রাস্তায় প্রেটির লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘এটি এখন আর কেবল অভিবাসন দমনের বিষয় নয়। এটি আমাদের অঙ্গরাজ্যের মানুষের বিরুদ্ধে বর্বরতা।’ তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কতজন বাসিন্দা ও মার্কিন নাগরিকের প্রাণ গেলে এই অভিযান বন্ধ হবে।’
চলতি মাসের শুরুতে রেনি নিকোল গুড নামে এক নারীকে আইসিই সদস্যরা গুলি করে হত্যা করে। এরপর একজন মার্কিন নাগরিককে তার গাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার আইসিই এজেন্টরা দুই বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবাকে আটক করে টেক্সাসে পাঠিয়ে দেন।
ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, অবৈধভাবে বসবাসকারী লাখ লাখ অভিবাসীকে বিতাড়িত করতে তাদের জনসমর্থন আছে। তবে সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, অধিকাংশ মার্কিন নাগরিকই আইসিই এবং অন্যান্য ফেডারেল সংস্থার বলপ্রয়োগের বিরোধী।
সূত্র: সিএনএন