তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যর্থ হন। এরপর মুশফিকুর রহিম এসে ওয়াসিমের সঙ্গে ইনিংস এগিয়ে নেন। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ওয়াসিম তুলে নেন ফিফটি। ৩৫ বলে ৬০ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন এই ওপেনার, তখন দলের স্কোর ১০৫।
ওয়াসিমের বিদায়ের পর কিছুটা চাপে পড়ে যায় রাজশাহী। মুশফিক ২২ বলে ১৯ রান করে আউট হন। এরপর ইয়াসির আলী চৌধুরী ও এস এম মেহেরব হোসেন দ্রুত ফিরে গেলে উত্তেজনা বাড়ে ম্যাচে।
তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন রায়ান বার্ল। হিসেবি ও কার্যকরী ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬ বল হাতে ও ৪ উইকেট অবশিষ্ট রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ১৮ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন বার্ল।
নোয়াখালীর হয়ে বোলিংয়ে লড়াই করেছেন মেহেদী হাসান রানা, নিয়েছেন ৩টি উইকেট। এছাড়া মোহাম্মদ নবী ও হাসান মাহমুদ একটি করে উইকেট পান।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স আত্মবিশ্বাসে ভর করে সামনে এগোলেও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য হতাশার অধ্যায় আরও দীর্ঘ হলো।