বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রীলঙ্কা শান্তদের অপেক্ষা বাড়িয়ে জিতলো

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

শ্রীলঙ্কা শান্তদের অপেক্ষা বাড়িয়ে জিতলো

সাগরিকার উইকেটের বিবেচনায় বাংলাদেশ ২০-২৫ রান কম জমা করে স্কোরবোর্ডে। তবুও দ্রুত শ্রীলঙ্কার ৩ উইকেট নিয়ে এই রান যথেষ্ট এমন আভাস দেন পেসাররা। কিন্তু না, পাথুম নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি, চারিথ আসালাঙ্কার ফিফটির সঙ্গে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে সিরিজে সমতা আনে সফরকারীরা।

শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৭ উইকেটে ২৮৬ রান করে বাংলাদেশ। তাড়া করতে নেমে ১৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শ্রীলংকা। তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় আসায় শেষ ম্যাচটি দাঁড়ালো অলিখিত ফাইনালে।

শরিফুল ইসলাম-তাসকিন আহমেদদের তোপে মাত্র ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, পাথুম নিশাঙ্কা-চারিথ আসালাঙ্কা পাল্টা প্রতিরোধ গড়েন। বাংলাদেশের বোলিংকে নির্বিষ বানিয়ে খেলতে থাকেন সাবলীলভাবে। ৩০ ওভার ধরে দুজনে কোনো উইকেট দেননি। উল্টো জয়ের ভিত গড়ে দেন। ১১৪ রানে নিশাঙ্কা আউট হলে ভাঙে জুটি। দুজনের জুটি থেকে আসে ১৮৫ রান।

নিশাঙ্কার আউটের পরেই আসালাঙ্কাকে ফেরান তাসকিন। বল খোঁচা লেগে উইকেটের পেছনে গেলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। বাংলাদেশ রিভিউ নিলে পক্ষে আসে, ৯১ রানে বিদায় নিতে হয় আসালাঙ্কা। দুই সেট ব্যাটারকে ফিরিয়ে কিছুটা স্বস্তি আসে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু বল-রানের ব্যবধান কম হওয়ায় শ্রীলঙ্কার দিকেই হেলে ছিল ম্যাচ। এর মধ্যে জানিথ লিয়ানাগেকে (৯) ফিরিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন।

এর আগে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল বাজেভাবে লিটন দাসের শূন্যরানে আউটে। ধাক্কা সামলে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ৭৫ রানের জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। দুই জীবন পেয়ে ৪০ রানে শান্ত আউট হলে ভাঙে এই জুটি। এরপর ক্রিজে সৌম্যর সঙ্গী হন তাওহীদ। দুজনে ফিফটির জুটি গড়ে এগোতে থাকেন। সৌম্য দেখা পান ফিফটির। সঙ্গে দ্রুততম ২ হাজার রানের কীর্তি গড়েন।

৬৮ রানে হাসারাঙ্গার বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে কাটা পড়েন। দুই বল ব্যবধানে নতুন ব্যাটার মাহমুদউল্লাহ হাসারাঙ্গার শিকার হয়ে ফিরলে বিপদ বাড়ে।  তাওহীদের সঙ্গী হন এবার মুশফিকুর রহিম। সাবলীল খেলতে থাকা মুশফিক রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তার ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। মুশফিক আউট হলে তাওহীদের সঙ্গী হন মেহেদি হাসান মিরাজ।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর