বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ১২৯ বার নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষ মানুষ বললেন রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ সংবিধান মেনে হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা: টিআইবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে

ইজতেমা মাঠে যোবায়ের পন্থীদের উস্কানিতেই সংঘর্ষ, নিহতদের নিজ সমর্থক বলে দাবি দুই পক্ষের

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:০১ অপরাহ্ন

যোবায়ের পন্থীদের উস্কানিতে সংঘর্ষ হয়েছে বলে দাবি করেছেন সাদপন্থীরা। একই সঙ্গে ইজতেমা ময়দানে তাদের লক্ষাধিক সাথী অবস্থান করছেন বলে জানানো হয়েছে। 
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ইজতেমা ময়দানে সংবাদ সম্মেলনে সাদপন্থীদের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাথী মুয়াজ বিন নূর এই কথা বলেন। এসময় সাদপন্থীদের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েমসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে নূর বলেন, গতকাল মঙ্গলবার সারাদেশ থেকে আমাদের সাথীরা ইজতেমা ময়দানের তুরাগ নদীর পশ্চিম পাড়ে অবস্থান নেয়। রাত ২টার পর ইজতেমা ময়দান থেকে যোবায়ের পন্থীরা মশাল হাতে নিয়ে আমাদের সাথীদের ওপর ঝাপিয়ে পড়লে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
এরপর যোবায়ের পন্থীরা ময়দান ছেড়ে গেলে আমাদের সাথীরা ময়দানে প্রবেশ করে। বর্তমানে আমাদের এক লাখ সাথী ময়দানে আছে এবং ময়দানের পুরো নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সরকার আমাদেরকে দিয়া বাড়ি মাঠে জোড় ইজতেমা করতে বলেছিল। আমরা সেখানে করতে পারব না কারণ, লোকসমাগম সংকুলান হবে না। তাই আজ সরকারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা ছিল।
এই আলোচনায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা ময়দানে আসতাম। কিন্তু গতরাতে যোবায়ের পন্থীদের উস্কানীতে সৃষ্ট সংঘর্ষে ময়দান আমাদের হাতে চলে আসে।
মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বলেন, আমাদের তিনজন সাথী নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। তবে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। আহত ও নিহতের সঠিক সংখ্যা পরে জানানো হবে।
এদিকে যোবায়ের গ্রুপের মিডিয়া সমন্বয়কারী হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, আমাদের তিনজন সাথী মারা গেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে হাসপাতাল সূত্র নিহতের সংখ্যা তিনজন বলে জানিয়েছে। তারা হলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার এগারসিন্দু গ্রামের মৃত ওসমান মিয়ার ছেলে আমিনুল হক বাচ্চু মিয়া (৭০),  ঢাকার দক্ষিণ খানের বেড়াইদ এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে বেলাল হোসেন (৬০), আরেকজন হলেন বগুড়া জেলার তাজুল ইসলাম (৭০)। তবে দুই পক্ষের দাবির প্রেক্ষিতে নিহতের সংখ্যা ছয়জন হলেও তিনজনের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সিনিয়র ব্রাদার হাফিজুল ইসলাম নিহত ও আহতদের সংবাদ নিশ্চিত করে বলেছেন, একজন নিহত ও অসংখ্য লোক আহত হয়েছেন। আহতরা এই হাসপাতালসহ বিভিম্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের এম্বুলেন্সচালক আশরাফুল ইসলাম জানান, ঢাকায় নেওয়ার পথে বেলাল নামে একজন মারা গেছেন। তার বাড়ি ঢাকার বেড়াইদ।
সাদপন্থীদের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বলেন, তিনজন নিহতের খবর পেলেও একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এদিকে ইজতেমা ময়দান এখন সাদপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশসহ মাঠ পর্যায়ে থাকা সকল  বাহিনীর পাঁচ শতাধিক সদস্য মোতায়েন রয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর