শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু সিলেটে ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি বিসিবির অ্যাডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট যুক্তরাষ্ট্রে জালিয়াতির মামলা নিষ্পত্তিতে ১৮ মিলিয়ন ডলার দিতে সম্মত হলেন আদানি দেশের ঋণাত্মক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ২ বছর সময় লাগবে: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বাংলাদেশের জনগনের অভিপ্রায় অনুযায়ী ফারাক্কা চুক্তি হতে হবে রাত ১২টার পর খাবার খেলে শরীরে যা ঘটে! হামে শত শত শিশু মৃত্যুর জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দায়ী কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী স্বপন

আওয়ামী লীগ নেতাকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : রবিবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদের চাচা অলিউজ্জামান ওরফে মন্টু মাস্টার (৬৮) আত্মগোপন থেকে গত পরশু রাতে বাড়ি ফেরেন।  শনিবার সকাল ১০টার দিকে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
তার পরিবার অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা অলিউজ্জামানকে নির্যাতন করেছেন।
অলিউজ্জামান একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদের ভাই শেখ আবদুল হানিফ জানিয়েছেন, উপজেলার বিড়ালদহ গ্রামে তাদের বাড়ি। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে তার চাচা অলিউজ্জামান আত্মগোপনে ছিলেন। গত পরশু রাতে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। আজ শনিবার সকালে তিনি পাশের মাইপাড়া বাজারে চা পান করতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বিএনপির লোকজন তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে বিড়ালদহ বাজারের পাশে নন্দনপুর সড়কে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পিটুনি দেন।
অলিউজ্জামান বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অলিউজ্জামানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের গুরুতর জখম রয়েছে।
বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মিঠুন, আহসান ও সীমান্ত এই হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে লোকমুখে শুনেছেন অলিউজ্জামানের ভাতিজা আবদুল ওয়াদুদ। তিনি বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তার চাচাকে উদ্ধার করে প্রথমে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মিঠুন বলেন, তার মামা মারা গেছেন। সেই জানাজা নিয়ে তারা ব্যস্ত আছেন। যারা অলিউজ্জামানকে মারধরের অভিযোগ করেছেন তারা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন আহসান, সীমান্তও ঘটনাস্থলে ছিল না।
পাল্টা অভিযোগ করে মিঠুন বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় তার পরিবারে দুইটা খুন হয়েছে। তারা বিপদগ্রস্ত আছেন। তারা রাজনীতি করতে পারেননি। তা ছাড়া নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে এই মন্টু মাস্টারের (অলিউজ্জামান) নাম পড়েছিল ‘পুঠিয়া-দুর্গাপুরের শিক্ষামন্ত্রী’।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, এ ঘটনায় তাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। তারা মৌখিকভাবে শুনেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তিনি আহত হয়েছেন, তাকে প্রথমে পুঠিয়া হাসপাতালে পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কারা অলিউজ্জামানের ওপর হামলা চালিয়েছে জানতে চাইলে ওসি বলেন, কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর