মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে যুক্ত হয়েছে স্পিন বোলিং মেশিন ১৫ এপ্রিল থেকে সাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা সরকারের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল, ভোট ১২ মে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ড. ইউনূস যাকে যেখানে বসিয়েছেন তারা ঠিকঠাক কাজ করেননি: জাহিদ হোসেন একনেকের প্রথম বৈঠকে ৮ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা

বিচার বিভাগের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের; হাইকোর্টের রায়

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:২৯ অপরাহ্ন

অধস্তন আদালতের  বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান সম্বলিত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধনী ‘অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী’ ঘোষণা করে এবং ৭২ এর সংবিধানের মূল ১১৬ অনুচ্ছেদ বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এ রায়ের ফলে অধস্তন আদালতে দায়িত্বপালনরত বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরি) ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব পুরোপুরি সুপ্রিম কোর্টের হাতে ফিরে এলো।।  এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের পাঠানো প্রস্তাবনা অনুসারে তিন মাসের মধ্যে মধ্যে একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রায়ে বিচারকদের জন্য ২০১৭ সালে তৈরি করা শৃঙ্খলাবিধি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়েছে। এ রায়ের ফলে এখন থেকে বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, বদলি ও শৃঙ্খলা বিধানের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপ্রিম কোর্টকে আর ধরনা দিতে হবে না।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূইয়া। আর ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করিম।

আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, এ রায়ের ফলে বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব পুরোপুরি সুপ্রিম কোর্টের হাতে ফিরে এলো। এখন থেকে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নামে বিচারকদের বদলি ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে আর কোনো নাটাই থাকল না। নির্ভয়ে তারা রায় দিতে পারবেন। রায় দেওয়ার পর নির্বাহী কর্তৃপক্ষের রোষানলে পড়ে রাতের আঁধারে বিচারকদের বদলির আর কোনো ভয় থাকল না। রায়টি একটি ঐতিহাসিক রায়।

এর আগে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রায় ঘোষণা শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আহমেদ সোহেল।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর