শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ১২৯ বার নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষ মানুষ বললেন রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ সংবিধান মেনে হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা: টিআইবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে

২০২৬ সালের মধ্যে অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি চুড়ান্ত করতে চায় বাংলাদেশ-ইইউ

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত ইইউ সদর দপ্তরে বৃহস্পতিবার পিসিএ আলোচনার প্রথম দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত -ছবি : বাসস

আগামী বছরের মধ্যেই অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ) নিয়ে আলোচনা শেষ করতে একটি গঠনমূলক ও দূরদর্শী সংলাপ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত ইইউ সদর দপ্তরে বৃহস্পতিবার পিসিএ আলোচনার প্রথম দফায় এই প্রতিশ্রুতি এসেছে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বৈদেশিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শাসনব্যবস্থা, জলবায়ু কর্মসূচি, ডিজিটাল রূপান্তর ও সংযোগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেছে।

পিসিএ বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের জন্য একটি আধুনিক, বিস্তৃত আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যার লক্ষ্য বহুমুখী খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করা এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন ও আসন্ন চ্যালেঞ্জগুলোর সঙ্গে ভবিষ্যতের সম্পৃক্ততাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।

ইইউর মতে, চুক্তিটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য একটি হালনাগাকৃত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভিত্তি তৈরি করবে, যা বর্তমান বাস্তবতা মোকাবেলা ও দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য আরো উপযুক্ত।

আলোচ্যসূচিতে অন্যান্য বিষয়গুলো মধ্যে ছিল- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার, মানবিক সহায়তা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং শান্তি ও নিরাপত্তা।

সংলাপে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি উন্নত ও অর্থবহ অংশীদারিত্ব ভাগাভাগি করার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।

আলোচনার তাৎপর্য তুলে ধরে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ইইউ’র সঙ্গে পিসিএ স্বাক্ষরকারী প্রথম দক্ষিণ এশীয় দেশ হওয়ার পথে রয়েছে।

প্রথম দফা আলোচনায় প্রধান আলোচক হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মো. নজরুল ইসলাম। ইইউ পক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউরোপীয় বহিরাগত কর্মপরিষেবার এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি। আলোচনায় ইইউতে বাংলাদেশের মিশন প্রধান খন্দকার মাসুদুল আলমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা সশরীরে ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

পরবর্তী দফা আলোচনা পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও ইইউ ২০২২ সালের নভেম্বরে ঢাকায় তাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সংলাপ শুরু করে, যা কৌশলগত ও বিষয় ভিত্তিক খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ হিসেবে চিহ্নিত। ২০২৩ সালে উভয় পক্ষের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপনের সময় এটি মাইলফলক হয়।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর