বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে : মির্জা ফখরুল চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০তে হেরে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করল বাংলাদেশ সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের স্ত্রীর যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা জ্বালানি সংকটে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ইরানের ক্যান্সার ওষুধ উৎপাদন কারখানায় মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা রেভল্যুশনারি বা ট্রানজিশনাল সরকার করলেন না কেন?, বিরোধী দলকে পার্থ আসন্ন বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম-এনবিআর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিনাওয়াত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০৬ অপরাহ্ন

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। কম্বোডিয়ার সাবেক নেতার সঙ্গে তার একটি গোপন ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর থেকেই তিনি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন।

আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) আদালতের রায়ে তাকে চূড়ান্তভাবে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে পেতোংতার্ন থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু মাত্র এক বছরের মাথায়ই পদ হারালেন তিনি। তিনি থাই রাজনীতির প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারের সদস্য।

ফাঁস হওয়া ফোনকলে পেতোংতার্নকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলে সম্বোধন করতে শোনা যায়। একই সঙ্গে তিনি থাই সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বলেন, তাদের কারণে কম্বোডিয়ার একজন সেনা নিহত হয়েছেন। এই ফোনকল ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।

পরবর্তীকালে জানা যায়, ফোনালাপটি রেকর্ড করা হয়েছিল ১৫ জুন। ওই সময় দুই দেশের সীমান্তে উত্তেজনা চরমে ছিল এবং জাতীয়তাবাদী আবেগ উসকে উঠেছিল থাইল্যান্ডে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ তোলে, পেতোংতার্ন গোপনে দেশের স্বার্থের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

ফোনকলে হুন সেনকে তিনি আরও বলেন, ‘যে কোনো কিছু চাইলে আমাকে বলবেন, আমি দেখব।’

এই মন্তব্যটিই ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয় এবং অনেকেই একে থাইল্যান্ডের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখেন।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন ফোনকল ফাঁস হওয়ার কয়েক মাস পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়, যা পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শান্ত হয়।

ঘটনার পর পেতোংতার্ন জনগণের কাছে ক্ষমা চান এবং দাবি করেন, উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল হিসেবেই তিনি ওই ভাষায় কথা বলেছিলেন। এরপর ১ জুলাই আদালত তার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব স্থগিত করে। যদিও তিনি তখনো সংস্কৃতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় থেকে গিয়েছিলেন।

আজ আদালতের চূড়ান্ত রায়ে তাকে সম্পূর্ণভাবে পদচ্যুত করা হলো। সূত্র: সিএনএন


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর