এবারের বিপিএলে কাগজে-কলমে বিপিএলের সেরা দুই দলের লড়াইয়ে শেষ হাসিটা হাসলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কাছে হারের পর এবার রাজশাহীর কাছে হারতে হলো রংপুর রাইডার্সকে। তাওহীদ হৃদয়ের ৯৭ রানের ইনিংস মলিন হলো নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের ব্যাটে। বড় লক্ষ্যও রাজশাহী তাড়া করল হেসেখেলে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তাওহীদ হৃদয় রংপুরকে এনে দেন শুভসূচনা। কাইল মেয়ার্সের সাথে ওপেনিংয়ে নেমে দেন আস্থার প্রতিদান। মেয়ার্স ৬ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরলেও হৃদয় আগলে ছিলেন এক প্রান্ত।
যদিও মেয়ার্সের মতো লিটন দাস ও ইফতিখার আহমেদও তাকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। লিটন ১৪ বলে ১১ ও ইফতিখার ১৫ বলে ৮ রান করে আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে যায় রংপুর, শ্লথ হয়ে যায় রানের গতি।
নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান দাঁড়ায় রংপুরের সংগ্রহ। রাজশাহীর পক্ষে একটি করে উইকেট পান তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মণ্ডল, জিমি নিশাম ও সন্দীপ লামিচানে।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে ফেলে রাজশাহী। তবে এরপর শক্ত হাতে ঘুরে দাঁড়ায় অধিনায়ক শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের ব্যাটে। দুজনের অনবদ্য পার্টনারশিপ বরং আক্ষেপ জাগিয়েছে, লক্ষ্যটা আরও বড় হলে হয়ত একটা সেঞ্চুরি দেখা যেত। শান্ত ৪২ বলে ৭৬ রান করে ক্ষান্ত হলেও শান্তর দল মাঠ ছাড়ে দাপুটে জয় নিয়েই।
৬টি চার ও ৪টি ছক্কা আসে শান্তর ব্যাট থেকে। তার বিদায়ে ভাঙে দ্বিতীয় উইকেটে গড়া ১৪২ রানের জুটি। সুবিধা করতে পারেননি জিমি নিশাম। তবে ৫৯ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন ওয়াসিম। এতে রাজশাহী পায় ৭ উইকেটের জয়।