মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি আবুল কালাম কবি ও সম্পাদক আবদুল হাই শিকদারকে চেয়ারম্যান করে বাসস পরিচালনা বোর্ড গঠন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ২০২৭ এর ২১ জানুয়ারি সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের নীতিগত মিল রয়েছে: ড. তিতুমীর উপাচার্যকে ভেতরে রেখে ভবনে তালা দিলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি: আটক ৪ জন রাষ্ট্রবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার

দেশের খাদ্য মজুদ ইতিহাসের সর্বোচ্চ : খাদ্য উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৪:৩৩ অপরাহ্ন

বর্তমানে দেশে ২১ লাখ ৭৯ হাজার টন খাদ্য মজুদ রয়েছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এটাকে অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছেন।

সোমবার (১১ আগস্ট) মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা।

তিনি জানান, নিরাপদ খাদ্য মজুদের ন্যূনতম পরিমাণ হচ্ছে প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন। খাদ্য নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সরকার আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে।

খাদ্য উপদেষ্টা জানান, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এই বছর ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হবে এবং এর আওতাও বাড়ানো হয়েছে। এবার সুবিধাভোগী পরিবার সংখ্যা ৫ লাখ বাড়িয়ে মোট ৫৫ লাখ পরিবারে পৌঁছানো হবে।
প্রত্যেক সুবিধাভোগী পরিবার প্রতি মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল পাবে।

খাদ্য উপদেষ্টা আরো জানান, গত বছর এই কর্মসূচি পাঁচ মাস চললেও এ বছর তা ছয় মাস ধরে চলবে। প্রথম ধাপে আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাস এই কর্মসূচি চলবে। এরপর ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে এটি বন্ধ থাকবে এবং ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে আবার শুরু হবে।

তিনি জানান, এ বছর এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১০ লাখ টন চাল বিতরণ করা হবে।

খাদ্য উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না এবং কোনো অসদাচরণের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর এবং ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর