সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের আবদার মেটাতে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি ২০২৬ এর জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে: বিআরটিএ ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম নয়াদিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ নেপালে বেকারত্ব নিয়ে জেন-জি’দের গণঅসন্তোষ, বালেন শাহের পদত্যাগ দাবি সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেছে আইএমএফ : আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বন্যাকবলিত জেলাসমূহের স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী আসুন সবাই মিলে দেশের জন্য কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

স্টারলিংকের কারনে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক। মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫, ৪:০৫ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে স্টারলিংকের ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা কোনভাবে বিঘ্নিত হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

তিনি বলেন, ‘স্টারলিংকের একটি লোকাল গেটওয়ে থাকবে। এর কমার্শিয়াল টেস্ট রান ও গ্রাউন্ড টেস্ট চলমান। এসকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য স্টারলিংক কোম্পানিকে ৯০ দিনের সময় দেয়া হয়েছে, যার দশ দিন গত হয়েছে। অতিবাহিত হলেই তাদের লোকাল গেটওয়ে বাধ্যতামূলক হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি ডিভাইসের ক্ষেত্রে রেট, ভ্যাট, ট্যাক্স আছে তাই ডিভাইসের বিষয়ে এনওসি লাগবে।’

আজ মঙ্গলবার(২০ মে) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে  আনুষ্ঠানিকভাবে স্টারলিংকের যাত্রা শুরু হওয়ায়  প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে  বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, স্টারলিংকের ইন্টারনেটের কারণে আমাদের জাতীয় স্বার্থ বিঘ্নিত হবে না। এর জন্য আমরা দুটি নিরাপত্তার বিষয় রেখেছি। একটি হচ্ছে স্টারলিংককে লোকাল গেটওয়ে ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ তাদের স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি করতে হবে এবং সেই গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে গেটওয়ে হয়ে ইন্টারনেট যাবে। আমরা বলেছি, তারা চাইলে বিকল্প হিসেবে বিদেশি গেটওয়ে রাখতে পারবে, কিন্তু অ্যাকটিভ ডিভাইস মনিটর করার জন্য, সেখান থেকে রাজস্ব আয়ের জন্য এবং একইসঙ্গে বাংলাদেশের যাদের লাইসেন্স গেটওয়ে আছে তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য লোকাল গেটওয়ে ব্যবহার করতে পারবে। সেখানে এলআইসি বসাতে হবে অর্থাৎ আমাদের আইনে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যে ইন্টারসেপ্টের বিধান আছে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা থেকে সেই কমপ্লায়েন্স মানতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি অননুমোদিত ডিভাইস যাতে আমাদের সীমান্তের ভেতর না প্রবেশ করতে পারে, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়, সেজন্য আমরা বলেছি ডিভাইসগুলোর জন্য এনওসি নিতে হবে। যেহেতু হাজার হাজার ডিভাইস আলাদা করে এনওসি দিতে গেলে প্রক্রিয়াগত জটিলতা তৈরি হবে, এজন্য গ্রুপ অব ডিভাইসকে একই এনওসির আওতায় ব্যাচ করে আনা যাবে। তবে আমরা আজ বাণিজ্যিকভাবে পরীক্ষামূলক চালু করছি। এটার জন্য তারা আমাদের কাছে আবেদন করেছে। এর জন্য তাদের ৯০ দিনের একটি সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। গ্রাউন্ড স্টেশন করতে কিছুটা সময় লাগে। এরই মধ্যে তাদের ১০ দিন সময় পেরিয়ে গেছে, আর ৮০ দিন আছে। এই সময়ে তাদের লোকাল গেটওয়ের এবং এলআইসি’র যে বাধ্যবাধকতা সেটি পালন করতে হবে। এরই মধ্যে এনটিএমসি’র সঙ্গে তাদের একটি সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর