সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের আবদার মেটাতে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি ২০২৬ এর জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে: বিআরটিএ ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম নয়াদিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ নেপালে বেকারত্ব নিয়ে জেন-জি’দের গণঅসন্তোষ, বালেন শাহের পদত্যাগ দাবি সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেছে আইএমএফ : আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বন্যাকবলিত জেলাসমূহের স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী আসুন সবাই মিলে দেশের জন্য কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’  জারি করেছে সরকার।

 রোববার ( ২৫ মে) সন্ধ্যায় এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ -এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। আজ তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের চারটি বিষয়কে অপরাধের আওতাভুক্ত করা হয়। সেগুলো হলো- সরকারি কর্মচারী যদি এমন কোনো কাজে লিপ্ত হন, যা অনানুগত্যের শামিল বা যা অন্য যেকোনো সরকারি কর্মচারির মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে; অন্যান্য কর্মচারির সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে ছুটি ছাড়া বা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হন; অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে বা বিরত থাকতে বা তার কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেন বা প্ররোচিত করেন এবং যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তাহলে তিনি অসদাচরণের দায়ে দণ্ডিত হবেন।

এসব অপরাধের শাস্তি হিসেবে বলা হয়েছে, দোষী কর্মচারীকে নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ বা চাকরি থেকে অপসারণ বা চাকরি থেকে বরখাস্ত দণ্ড প্রদান করা যাবে।

এতে বলা হয়, সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হবে। আর অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হলে তাকে কেন দণ্ড আরোপ করা হবে না, সে বিষয়ে আরও সাত কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হবে। তার ভিত্তিতে দণ্ড আরোপ করা যাবে। এভাবে দণ্ড আরোপ করা হলে দোষী কর্মচারী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। তবে, রাষ্ট্রপতির দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। যদিও আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করতে পারবেন।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর