বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ১২৯ বার নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষ মানুষ বললেন রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫০ সংবিধান মেনে হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা: টিআইবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে

সহিংসতা বন্ধে সরকার কিছু করতে পারছে নাঃ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, এবারের নির্বাচনে নতুন উপাদান হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার। এর মাধ্যমে সহিংসতা, ঘৃণা ছড়ানো হয় তা বন্ধ করার মতো কোনো উদ্যোগ বা এর অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য এই সরকার কিছু করতে পারছে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নাগরিক সমাজ দাবি জানাচ্ছে।

গতকাল সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য মুক্ত আলোচনা : ডিজিটাল অর্থনীতি ও উদ্যোক্তা প্রসঙ্গ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান। আরও বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবদুল মজিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম এ বাকী খলীলী প্রমুখ। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নৈরাজ্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ বা সক্ষমতা, এমনকি সদিচ্ছাও দেখা যাচ্ছে না। নারীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্য এসব নিয়ন্ত্রণে সরকার বা নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ভূমিকা অনুপস্থিত। তিনি আরও বলেন, ‘ডিজিটালাইজেশন আমাদেরকে প্রগতিশীল করেছে, তবে এটি বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। এটিকে স্বায়ত্তশাসিত, নজরদারিভিত্তিক ও জবাবদিহিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল সুরক্ষার জন্য কী কী করবে তা আমাদের ভালো করে জেনে নিতে হবে। জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে আমরা ডিজিটাল শব্দটা গত দশকে বহুবার শুনে এসেছি, কিন্তু কারও হাতে একটা সেলফোন থাকলেই সেটা ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়ে যায় না। বরং এই ডিজিটাল নামে চুরিও হয়েছে বহু, আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বহু অর্থ লোপাট হয়ে গেছে কিন্তু আমরা সেটা থামাতে পারিনি।

মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার ওপর আমাদের আস্থা নেই, আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নির্ভরশীল, অনেক ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে খবর নিয়ে যাচাই না করেই মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় প্রচার করে ফেলি।-নিউজ২৪


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর