সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি: আটক ৪ জন রাষ্ট্রবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার জাপানের মারুবেনির বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও দ্বিতীয় কাফকো স্থাপন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক বন্দুক হামলায় শিশু ও অন্তঃসত্ত্বাসহ নিহত ১৪ সরকারি সব অফিসের জন্য নতুন নির্দেশনা আইপিইউ সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার সৌদি বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, ঢাকার তীব্র নিন্দা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি হচ্ছে : শেখ রবিউল আলম বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের নির্বাচনে গুলজার-কুদ্দুস-মনির প্যানেলের ওল্ডহামে মতবিনিময় সভা ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি স্বাক্ষর

১৫ টাকা দরে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪, ৫:৪৩ অপরাহ্ন

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ১০ মার্চের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন চাল বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ১ মার্চ থেকেই লিফটিং করতে বলেছি। ১ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত আমাদের একটি সিদ্ধান্ত ছিল। সেটা কমিয়ে ১০ মার্চের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন খাদ্য বিতরণ শেষ করা হবে।

এতে বাজারে স্বস্তি ফিরবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেড় লাখ টন চাল যদি বাজারে ১৫ টাকা দরে যায়, তাহলে ৫০ লাখ পরিবারকে তো আর বাজার থেকে চাল কিনতে হবে না। এতে স্বস্তি আসবে বলে মনে করি।

২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বস্তায় চালের দাম ও জাত লেখা থাকার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সাধন চন্দ্র বলেন, আমরা ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিপত্র জারি করব বলেছিলাম আর কার্যকর করব ১৪ এপ্রিল বা পহেলা বৈশাখ থেকে। কারণ যেসব চাল এখন বাজারে বস্তাবন্দি আছে এবং সিল মারা আছে, সেগুলো এখন আর কেউ প্যাকেট চেঞ্জ করবে না। কাজেই নতুন বছরে বোরো চাল উঠবে, তখন থেকে এটা কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।

ডিসিদের কাছে হালনাগাদ তথ্য আছে কি না, জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসি-মিল মালিকদের সঙ্গে মিটিং শুরু হয়েছে। ধান ও চালের জাতের যে নমুনা, সেটা তাদেরও সরবরাহ করা হচ্ছে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সে জাতগুলো দিয়েছে, আউশ, আমন ও বোরোতে কোন কোন জাত, কোনটা মোটা, মাঝারি ও সরু সেই জাত দিয়েছে, সেটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করছি। এ ছাড়া মজুতবিরোধী অভিযান অনেকাংশেই সফল হয়েছে। ডিসিদের কাছে আবেদন জানিয়েছি, নির্দেশনা দিয়েছি যাতে বস্তার গায়ে জাতের নাম লেখা নিয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, সেটা বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করে।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর