শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাতেও সাধারণ মানুষের নিরাপদে চলাচল নিশ্চিতের আহ্বান এম এ মালিকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি যমুনায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায় উঠবেন মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন বাবার কাছ থেকে তরুণীকে তোলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত সরকারের নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ শুরু একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রশিক্ষণরত ১৪ কনস্টেবলকে চাকরি থেকে অব্যাহতি

নিউজ ডেস্ক | মেট্রোটাইমসটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট : শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৫, ৬:৪৯ অপরাহ্ন

টাঙ্গাইলে ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণরত ১৪ কনস্টেবলকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব‌্যাহ‌তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে তাদেরকে অব‌্যাহ‌তি প্রদান করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, ‘ শৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত কারণে অদ্য ২ জানুয়ারি অপরাহ্ণ থেকে প্রশিক্ষণ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।’
অব‌্যাহ‌তি পাওয়া প্রশিক্ষণরত কনস্টেবলরা রা‌তেই ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ ক‌রে যার যার বাড়িতে রওনা হ‌য়েছে বলে সূত্রে গেছে।
অব্যাহতি পাওয়া প্রশিক্ষণরত কনস্টেবল হলেন- নাটোরের মিনাজুল মোন্না ওরফে মামুন, আব্দুল মান্নান, নওগাঁর জিহাদ হাসান, খুলনার শেখ নাঈম রহমান, যশোরের পাভেল ও ফারদিন, নোয়াখালীর সায়েম ও শহিদুল, গোপালগঞ্জের ইমান, ফরিদপুরের রমজান মিয়া, রাজশাহীর পারভেজ, শরীয়তপুরের রিফাত ও ছাইদুল ওরফে ছাইদুর এবং মুন্সীগঞ্জের তাওহীদ আলম।
ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন থেকে ৫৪তম ব্যাচের টাঙ্গাইলের ম‌হেড়া‌ পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ৭৯৩ জনের ছয় মাস মেয়াদি মৌ‌লিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এর মধ্যে ছয় জন অসুস্থ হওয়ায় তা‌দের বাদ দেওয়া হয়। পরে ৭৮৭ জন কনস্টেবল প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।
১৯ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণরত ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলের (টিআরসি) সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও সে‌টির তারিখ বাতিল ক‌রে ১২ জানুয়ারি করা হয়।
আওয়ামী লীগের সমর্থন করায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন খুলনার কয়রা উপজেলার শাহানুর আলমের ছেলে নাঈম রহমান। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চাকরি হয়েছে। আমার গ্রাম ও নিজ নামের আগে শেখ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট হয়েছে। ওই রিপোর্ট সন্তোষজনক না হওয়ায় আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাহফুজুর রহমানের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলম ও পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি।


এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর